আলোর খোঁজে, করেছি আঁধারে প্রবেশ, রাতের মত পুড়ছে অসীম সময় স্বর্ন শিখা জ্বলছে অলক্ষ্যে, অপার, অশেষ; দেখ আমার আর পড়েনা কোন ছায়া, পার হয়ে যাই যতো রেশমী মায়া, পড়ে থাকে পিছে আমার সকল ক্লেশ।
স্বপ্নের পিছুডাক বোঝেনা অনন্ত আঁধার, অগ্নিহীন শিখায় জ্বলে হাজার প্রত্যাশা, ছাই হয়ে উড়ে যায় সকল কর্মভার, চেনা নামে ডাকেনা আর মর্চে ধরা হতাশা। এখানে তো নেই কোনো পথ চাওয়া, মনখারাপের সুর তাই হয়না আর গাওয়া।
এ আঁধার জ্বলে আপন আলোয় নিশিদিন, অন্তরের আলোয় ঘুচবে যত ব্যর্থ কালো, চলার পথে রইবে পড়ে ব্যাস্ত ধুলো, আমার মুক্তি ফুটবে তারায় তারায় অন্তহীন; আলোর খোঁজে হবে স্বাধীন জ্বলন্ত আঁধার, দেখা হবে নিজের সাথে হয়তো আবার।
নদীর জল নোনা হয় তোমার অশ্রুভারে; সাগরের ঢেউ পাগল হয়ে মাথা কুটে মরে স্তম্ভিত নিশ্চল পাথরে পাথরে । সেই গভীর গোপন বেদনা ভাসে যুগ যুগ ধরে বাতাসে বাতাসে, ঝরা পাতারা জানিয়ে যায় সব ইশারায় কত সুগন্ধ মনের বনে হারিয়ে যায় । দূরে কোথাও মরু বালির ঝড় স্তূপ ভাঙ্গে গড়ে অশান্ত নিরালায় ।
মরুতে চাপা পড়ে যায় তৃষিত লাশ হাজার বছর বন্দী হয় রুদ্ধ দীর্ঘশ্বাস; স্বপ্ন বোনে চাঁদ জ্যোৎস্নার জালে, আকাশ ডুবে মরে রাতের অন্তরালে ।
ছুঁয়ে যায় তোমার আলো শিহরণের কানায় কানায় তবে কেনো পারিনা ছুঁতে তোমায় ! আছো তুমি এখানে,ওখানে, সবখানে পাই না তোমায় যে তবু কোনোখানে ! ভরপুর শুন্যতা উপচে পড়ে নয়ন ধারায় রাত যেমন চুইয়ে পড়ে তারায় তারায় ।
আর ঠিক মনে পড়ে না সেই কবে ভরা নদী হঠাৎ ফলগু হয়ে হারায়, আকূল তৃষার অমোঘ মোহনায় । এতো গভির সত্যি, যেন মায়াবী মিথ্যা মনে হয়, এই আছো এই নেই, মরীচিকা পথ ভোলায়; যে পথ বেঁধেছে দুরত্ব অন্তহীন, যেন হাজার জন্ম মিলেমিশে দিশাহীন ।
আজ যে পথ দিয়ে চলে গেলাম আমি, কাল সে পথেই ফিরবে তুমি; আমার আলোর কনারা দিয়ে যায় প্রাণ,- পূর্ণ দিবসে আকাশে, বাতাসে, নিঃশ্বাসে, বিশ্বাসে; আমার আছে অনন্ত পথ চলা- ছায়ায় ছায়ায় ছুঁয়ে যাব তোমার যাত্রাপথ, তোমার সকল বেলা। দূরত্ব ছড়িয়ে যায় নিঃসঙ্গ ব্যথায়, ঝরা ঋতুর পাতায় পাতায়; পথ পড়ে থাকে সাজানো অবহেলায়, ধূপের ধোঁয়া যেমন বেঁধে নেয় মন অন্তিম বেলায় ।
একদিন ঠিক আলোর বন্যা হয়ে ভাসাবো তোমায় দিনের গভীর ঢেউয়ে, ছায়া যত তোমার যতনে কুড়িয়ে নেবো আমার শিউলি ভরা ভিজে আঁচলে, কেউ যাতে না মাড়িয়ে যায় তোমায় ছায়া অবহেলে ।
চোখের আলোয় থাকবো না আর তোমার কিরণ আমার পুড়বে যবে শিখায় শিখায়; জ্বলবো তোমার শুষ্ক আঁখি নীরে যেমন রাত পুড়ে যায় তারায় তারায় মুখ ডুবিয়ে দিনের গভীরে।
তোমার চলার ছন্দে বাজবে আমার নূপুর ধ্বনি, নীরব যবে থাকবে পড়ে আমার সাধের নূপুর খানি; তোমার বুকের তৃষ্ণা হয়ে আকাশ হবো অবশেষে, বৃষ্টি ফোঁটায় বইবো মেঘের জলছবি- যেমন আলোর আভা রয়ে যায় দিনের শেষে ।
এবার অবুঝ মেঘ হবো অনায়াসে, ছাইবো তোর চিলেকোঠার আকাশে ; বৃষ্টির ভিজে গন্ধে যখন ভারি হবে বাতাস এক ছুটে ছাতে এসে দুহাত বাড়াস । দূরের পানে দৃষ্টি মেলে তখন বিনাকারণে দিনের আলো হবে উদাস ।
বা উত্তাল সাগর হয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাবো তোর আদিম শহরের ক্লান্ত অবকাশ, বালির বেহিসাবী রেখায় রেখায় । থাকিস ছুঁয়ে তখন আমায় শঙ্খচিলের পাখায় পাখায়, তোর ছোঁয়ায় পাথরে কাঁদবে জলোচ্ছ্বাস ।
হতে পারি হঠাৎ ধুলোর ঝড় তোর আসা যাওয়ার পথে এলোমেলো করে সব সাজানো ব্যস্ততা , কতো না উড়ে আসা হলুদ পাতা এসে ধরা দেবে তোর গতিপথে অযথা, ঝেড়ে ফেলার ফাঁকে পড়ে থাকবে নিরবতা।
উড়ে যাওয়া পাখির ঝরা পালক জানলায় তোর বুলিয়ে যাবে রোদের ঝলক, যতনে রাখিস তুলে কিশোর বেলার গীতাঞ্জলির মাঝে, পুরোনো গন্ধের ভাঁজে । কখনো পড়ার ছলে , অবহেলে ছুঁয়ে যেতে ভুলিস না হাজার কাজে ।
My bengali poem Basundhara, which means ‘The Earth’, brings out the green essence of the earth. The earth never ceases to ooze out its blessings and love in spite of the severe tortures on it like the draughts, floods, volcanic eruptions, earthquake, bombing, shelling etc.
The poem was originally written in Bengali, but one of my dear friends felt the urge to make it universal and to spread its fervent spirit also beyond the circle outside the language barrier. Both the versions are presented below
What's the worry! Here I am, touch me ! My open far grown fields nascent green, shy Call you by your nickname; Your loving names long forgotten, that are as ancient as the sky. Come, send your hissing roots in numerous sigh into my oblivion depth. Let your flowers bloom out my breath through your dewy despair, year after year.
How long will you carry the skeleton, age-old, on your shoulders, weary? The skeleton gets heavier, in pride and desire, leaving life,– a mere spectator. Lost your path? What's the worry! Losing is gaining as mystic as raining. Shells explode, fire-flowers bloom smell of gunpowder fills empty pride nourishing gloom.
When wars will fade into the walls of the borders, I will bear a child, coming into life with a dumb scream of the burnt green, fatherless; I will germinate green, - merciless. The primordial joy of creation helpless and shameless, will sprout in my breast. God will be born in my virgin lap, once again.